প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
হাতীবান্ধা উপজেলা প্রতিনিধি:
দীর্ঘ ১৭ বছরেও পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা উপজেলার সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, চাওয়া-পাওয়ার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবেনি কেউ—এমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের। এই দীর্ঘ সময়ে রাজনীতিকে অনেকেই ব্যক্তিস্বার্থ ও ব্যবসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তবে এবারের নির্বাচনে ব্যতিক্রমী একজন মানুষকে পাশে পেয়েছে এ জনপদের মানুষ। তিনি হলেন আনোয়ারুল ইসলাম রাজু।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আনোয়ারুল ইসলাম রাজু। শুরু থেকেই তিনি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, আনোয়ারুল ইসলাম রাজু কতটা মানবিক, সৎ ও পরোপকারী—তা পাটগ্রাম-হাতীবান্ধার মানুষ নিজের চোখেই দেখেছে। তিনি অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করেন। তার সঙ্গে দেখা করতে বা কথা বলতে কোনো দালাল কিংবা মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন হয় না। নিঃস্বার্থভাবে সবসময় তিনি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন—যা এই অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যাশা করে আসছিল।
আওয়ামী লীগ শাসনামলেও যখন অনেক নেতা রাজনীতিকে ব্যবসায় পরিণত করেছিলেন—কেউ মামলা বাণিজ্য, কেউ পদ বাণিজ্য, কেউবা তেলবাজি করে ঠিকাদারি ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছিলেন—তখন আনোয়ারুল ইসলাম রাজু ছিলেন ব্যতিক্রম। তিনি রাজনৈতিক সুবিধার পেছনে না ছুটে হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামের মানুষের সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, সামাজিক উন্নয়ন, দুঃস্থ মানুষের সহায়তা এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে আনোয়ারুল ইসলাম রাজুর ভূমিকা ছিল দৃশ্যমান ও প্রশংসনীয়। এজন্যই অল্প সময়েই তিনি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছেন।
সুমিষ্টভাষী ও মানবিক গুণসম্পন্ন এই নেতা নিয়মিত গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ঘুরে সাধারণ মানুষের খোঁজখবর নেন। তাকে কাছে পেয়ে সাধারণ মানুষ উচ্ছ্বসিত ও আশাবাদী।
পাটগ্রাম-হাতীবান্ধার সচেতন জনগণের অভিমত, এবার কোনো প্রতীক নয়—ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তারা আনোয়ারুল ইসলাম রাজুর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকেই ভোট দেবেন।
মন্তব্য করুন