প্রকাশিত: ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১১:৩৪ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

ভেলাবাড়িতে বিতর্কের ঝড়: চাঁদাবাজির অভিযোগে আলোচিত পলাশকে মঞ্চে বসানোয় বাবুল ভাইয়ের ভোট ক্ষতির আশঙ্কা

বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী বাবুল ভাইয়ের জনপ্রিয়তা ও ব্যক্তিগত সুনাম থাকা সত্ত্বেও ভেলাবাড়িতে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক এক রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ছাত্রদলের উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন পলাশকে মঞ্চে বসিয়ে ভোট চাওয়ার সিদ্ধান্ত বাবুল ভাইয়ের জন্য উল্টো ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
স্থানীয় জনগণ ও দলীয় একাধিক নেতাকর্মীর অভিযোগ, জয়নাল আবেদীন পলাশের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই চাঁদাবাজি, মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় এবং হয়রানির নানা অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর লালমনিরহাট জেলার তিস্তা থেকে বুড়িমারী পর্যন্ত এলাকায় ভয়ভীতি দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী বলেন,
“মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা নেওয়া হয়েছে। আমরা সাধারণ মানুষ—প্রতিবাদ করার সাহস পাইনি।”
অন্যদিকে, ভেলাবাড়ির সাধারণ ভোটারদের একাংশের ভাষ্য, এমন বিতর্কিত ব্যক্তিকে সামনে রেখে ভোট চাইলে ভোট বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। বরং মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও বিরূপ মন্তব্য বাড়ছে, যা সরাসরি বাবুল ভাইয়ের নির্বাচনী সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন দায়িত্বশীল নেতা জানান, বাবুল ভাইয়ের ঘনিষ্ঠ মহলের মাধ্যমে ইতোমধ্যে তাকে বিষয়টি সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে। তাদের মতে, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির একজন প্রার্থী যদি চাঁদাবাজি ও মামলাবাজির অভিযোগে আলোচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রকাশ্যে অবস্থান নেন, তাহলে সাধারণ ভোটাররা ভুল বার্তা নিতে বাধ্য হন।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—জয়নাল আবেদীন পলাশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে একাধিক সংবাদ ও অনলাইন পোস্ট ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এমন একজনকে মঞ্চে বসিয়ে ভোট চাওয়ার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সময় থাকতে বিতর্কিত চরিত্র থেকে দূরত্ব না রাখলে ভবিষ্যতে এর বড় রাজনৈতিক মূল্য দিতে হতে পারে। স্থানীয়দের

মন্তব্য করুন